| “যার যে প্রতিভাই থাকুক না কেন… এই প্রতিভাগুলোও তপস্যার মাধ্যমে অর্জিত—এগুলো সাধারণ জিনিস নয়। সুতরাং সবকিছুই ব্যবহার করা উচিত উত্তমশ্লোক, অর্থাৎ কৃষ্ণকে বর্ণনা করার জন্য। কৃষ্ণই উত্তমশ্লোক। আমাদের কাছে কৃষ্ণের অসংখ্য লীলা আছে, চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলাও আছে। আমরা এগুলো দিয়ে প্লাবিত করে দিতে পারি। যেমন তোমরা এই সাহিত্য দিয়ে প্লাবিত করতে পারো, তেমনি আমরাও প্লাবিত করতে পারি… এটাই শিল্প। শিল্প, সঙ্গীত—সবকিছুই আমরা ব্যবহার করতে পারি। যে যেভাবে আসক্ত—সে যদি শুধু খেতে ভালোবাসে, খাক; যদি শুধু গান গাইতে ভালোবাসে, গাক; যদি শুধু আঁকতে ভালোবাসে, আঁকুক; যদি শুধু নাচতে ভালোবাসে, নাচুক—আমাদের কাছে সবকিছুরই ব্যবস্থা আছে। এটাই কৃষ্ণভাবনামৃত। সে ব্যবসাও করুক—হ্যাঁ। ইঞ্জিনিয়ারিং—মন্দির নির্মাণ করুক। এই আন্দোলন এতটাই পরিপূর্ণ—কৃষ্ণ… কৃষ্ণ সর্বআকর্ষক। প্রত্যেকেই আকৃষ্ট হতে পারে এবং সবকিছু ত্যাগ করতে পারে। সে এমনভাবে কৃষ্ণের দ্বারা আকৃষ্ট হবে যে, সমস্ত অর্থহীন বিষয় সে ত্যাগ করে দেবে। এটাই কৃষ্ণভাবনামৃত।”
|