| “তখন কৃষ্ণ বলেছিলেন—‘কোটি কোটি বছর আগে, যখন আমি এই দর্শন সূর্যদেবকে বলেছিলাম, তখন তুমিও উপস্থিত ছিলে, কারণ তুমি আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু। আমি যখনই অবতীর্ণ হই, তুমিও তখন থাকো। কিন্তু পার্থক্য হলো—তুমি তা ভুলে গেছ, আর আমি তা স্মরণ রেখেছি।’ সুতরাং এইটাই কৃষ্ণ ও সাধারণ জীবসত্তার মধ্যে পার্থক্য। কৃষ্ণ সবকিছু স্মরণ রাখেন, সবকিছু জানেন। ‘বেদাহং সমতীতানি’ (ভগবদ্গীতা ৭.২৬)— ‘আমি সবকিছু জানি।’ এটাই কৃষ্ণ। কিন্তু আমরা জানি না। এটাই পার্থক্য। কৃষ্ণ নিরাকার নন। তিনিও একজন ব্যক্তি, কিন্তু তিনি আমাদের মতো ব্যক্তি নন—তোমার মতো বা আমার মতো নন। তাঁর ব্যক্তিত্ব সর্বোচ্চ। তাঁর থেকে বড় আর কেউ নেই। ‘ন তস্য কার্যং করণং চ বিদ্যতে, ন তৎসমশ্চাভ্যধিকশ্চ দৃশ্যতে’ (শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ ৬.৮)।এইগুলোই বৈদিক জ্ঞান।”
|