BN/750219 কথোপকথন - শ্রীল প্রভুপাদ কথামৃতবিন্দু কারাকাস

Revision as of 16:15, 1 May 2026 by Monojit (talk | contribs) (Created page with "Category:BN/Bengali - শ্রীল প্রভুপাদ কথামৃতবিন্দু Category:BN/অমৃতবিন্দু - ১৯৭৫ Category:BN/অমৃতবিন্দু - কারাকাস {{Audiobox_NDrops|BN/Bengali - শ্রীল প্রভুপাদ কথামৃতবিন্দু|<mp3player>https://vanipedia.s3.amazonaws.com/Nectar+Drops/750219R1-CARACAS_ND_01.mp3</mp3player>|“প্রথমেই আ...")
(diff) ← Older revision | Latest revision (diff) | Newer revision → (diff)
BN/Bengali - শ্রীল প্রভুপাদ কথামৃতবিন্দু
“প্রথমেই আমাদের বুঝতে হবে যে আমাদের ইন্দ্রিয়গুলো অপূর্ণ। যেমন আমরা এই ঘরে বসে আছি। আমাদের চোখ আছে, কিন্তু এই দেয়ালের ওপারে কী ঘটছে, তা আমরা দেখতে পারি না। সূর্য পৃথিবীর চেয়ে চৌদ্দ লক্ষ গুণ বড়, অথচ আমরা তাকে একটি ছোট চাকতির মতো দেখছি। আবার চোখের পাতা চোখের একেবারে কাছে, কিন্তু আমরা চোখের পাতাকে দেখতে পারি না। আলো নিভে গেলে আমরা কিছুই দেখতে পারি না। অর্থাৎ আমরা কেবল নির্দিষ্ট কিছু অবস্থার মধ্যেই দেখতে পারি। তাহলে আমাদের দেখার মূল্যই বা কতটুকু?

এমনকি আমরা যদি দূরবীনও তৈরি করি, সেটিও তো এই অপূর্ণ ইন্দ্রিয় দিয়েই তৈরি করা হয়েছে, তাই সেটিও পরিপূর্ণ নয়। সুতরাং আমাদের অপূর্ণ ইন্দ্রিয়কে ব্যবহার করে যা কিছু বোঝা হয়, তা প্রকৃত জ্ঞান নয়। প্রকৃত জ্ঞান বোঝার পদ্ধতি হলো—যার কাছে প্রকৃত জ্ঞান আছে, তার কাছ থেকে সেই জ্ঞান গ্রহণ করা। যেমন, আমি কে আমার বাবা—এটা যদি আমি কেবল চিন্তা বা কল্পনা করে বোঝার চেষ্টা করি, তাহলে কখনোই জানতে পারব না আমার বাবা কে। কিন্তু যদি মা বলেন—‘এই তোমার বাবা,’ তাহলে সেটাই পরিপূর্ণ জ্ঞান। সুতরাং জ্ঞান লাভের পদ্ধতি হওয়া উচিত অনুমান বা কল্পনা করা নয়; বরং পরিপূর্ণ ব্যক্তির কাছ থেকে সেই জ্ঞান গ্রহণ করা। যদি আমরা কোনো মানসিক কল্পনাকারী ব্যক্তির কাছ থেকে জ্ঞান গ্রহণ করি, তাহলে তা পরিপূর্ণ জ্ঞান নয়।”

750219 - কথোপকথন - কারাকাস